• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
রামুতে সার পাচারের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য! তদন্ত থমকে ৫৬ দিন, কৃষকের চরম দুর্ভোগ উখিয়ার বালুখালী মরাগাছ তলায় ইজারার নামে চাঁদাবাজি, জড়িত বিএনপি-যুবদলের সিন্ডিকেট! বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তারের শঙ্কায় মেসি কুতুপালং বাজারের ময়লায় অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী ঘুমধুম খাল; বিপর্যয়ের মুখে দুই উপজেলার জনস্বাস্থ্য মানবপাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি এনসিপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ নিয়ম ভেঙ্গে নগদ টাকা বিতরণ: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিতর্কিত এনজিও “ছওয়াব” এর কর্মকাণ্ডে নিরাপত্তা শঙ্কা বেলায়েত চক্রে ভোগছে নিরহ পর্যটন উদ্যোক্তারা সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন সাখাওয়াত

উখিয়ার বনবিভাগ চলে ‘কালা সোনা’য়, অভিযানে অংশ নিয়ে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিবেদক / ১৩৮ বার
সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

 

নেই কোন স্থায়ী পদ-পদবী, বিলুপ্ত হওয়া ভিলেজার পরিচয়ে তিনি যেন বনবিভাগের একছত্র নিয়ন্ত্রক। উখিয়ায় লোকেমুখে তার নাম উচ্চারিত হয় রাষ্ট্রীয় সংস্থার কথিত দালাল হিসেবে।

কালা সোনা (৫০) নামে উখিয়া সদর এলাকার সেই ব্যক্তিকে দেখা গেছে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগ পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে।

শনিবার (২৮ মার্চ) উখিয়া রেঞ্জের সদর বিট আওতাধীন হাঙ্গরঘোনা ও আমগাছতলা এলাকায়  চলা এই অভিযানে উদ্ধার করা হয় ৪ একর সংরক্ষিত বনভূমি, গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় স্থাপনা।

প্রতিবেদকের হাতে থাকা একটা ভিডিও চিত্রে দেখা যায়,রাজারকুল রেঞ্জ থেকে অতিরিক্ত কর্মী সহ পর্যাপ্ত বনকর্মী অভিযানে থাকলেও সেই কালো সোনা নিজেই ভাঙ্গছেন নির্মিতব্য স্থাপনার দেয়াল যেখানে স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন উখিয়া রেঞ্জের প্রধান (সহকারী বন সংরক্ষক) মো. শাহীনুর ইসলাম।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, পাশে স্থাপনা থাকলেও সেগুলো উচ্ছেদ না করে কালা সোনার মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে বন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ না করায় তাদেরকে ক্ষতিগ্রস্থ করা হয়েছে।

হাঙ্গরঘোনা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ কালো সোনা আমাদের কাছে আতংকের নাম, সে বনের জায়গা কন্ট্রাক্টে বৈধ করায়। বনবিভাগের আসকারায় এসব ওপেন সিক্রেট।’

কালো সোনার নামে ‘উখিয়া রেঞ্জের অঘোষিত বিট কর্মকর্তা কালা সোনা!’ নানা শিরোনামে কয়েক বছর ধরে অসংখ্য সংবাদ গণমাধ্যমে আসলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

এমনকি এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা থাকলেও সরকারি অভিযানে তার অংশগ্রহণের যৌক্তিকতা এবং বনবিভাগের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

যদিও অভিযোগ প্রসঙ্গে কালা সোনা বলেন, ‘ আমি পুরাতন ভিলেজার, টুকটাক বনবিভাগকে সহায়তা করি কিন্তু অবৈধ কিছু করি না।’

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা (সহকারী বন সংরক্ষক) মো. শাহীনুর ইসলাম বলেন, ‘সরকারি রক্ষিত বনভূমি দখলমুক্ত রাখতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি, বনভূমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

এছাড়াও তিনি বনবিভাগের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ যদি চাঁদাবাজি করে তাহলে তাদের আইনের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর