• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
মালয়েশিয়ায় ছাদ থেকে পড়ে উখিয়ার জাফর আলমের মর্মান্তিক মৃত্যু: মরদেহ ফেরাতে সরকারের হস্তক্ষেপ চায় পরিবার উখিয়ায় পশ্চিম ফলিয়া পাড়া জামে মসজিদের ২৬তম বার্ষিক সভা চলছে কোর্টবাজারে সড়ক দখল ও চাঁদাবাজির মহোৎসব, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ— এড. জসিম আজাদ গবেষণার গুরুত্ব ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম নিয়ে CCDRC’র সেমিনার অনুষ্ঠিত উখিয়ার সোনারপাড়া বাজারে খাস আদায়ের নামে অবৈধ টোল আদায়ের অভিযোগ, বন্ধের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ দিলেন বিএনপির নেতা রফিক উল্লাহ উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ উখিয়ায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ৪০ হাজার ইয়াবা ছিনতাই, অভিযুক্ত ২ পাচারকারী উধাও কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল হক ডালিম’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ কুতুপালং বাজারে বাজার কমিটির নাম ব্যবহার করে রুবেল সওদাগর ও জসিমের নেতৃত্বে ইয়াবা ও টাকা ছিনতাই, অপসারণের দাবি সর্বোচ্চ ‘এ’ থেকে সর্বনিম্ন ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামল ইসলামী ব্যাংক

উখিয়ায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ৪০ হাজার ইয়াবা ছিনতাই, অভিযুক্ত ২ পাচারকারী উধাও

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯০ বার
সময় : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালীতে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে একটি টমটম (অটো-রিকশা) থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাই করে গা-ঢাকা দিয়েছে দুই মাদক কারবারি। গত শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার সময় পালংখালী ইউনিয়নের ভাদিতলি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।

‎অভিযুক্তরা হলেন- পালংখালী ভাদিতলি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী মার্বেলও একই এলাকার ছৈয়দুল আমিন।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি অটো-রিকশা যোগে ইয়াবার একটি বড় চালান পাচার করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসন টমটম গাড়িটি দফায় দফায় দুই বার তল্লাশি করে, পরে কৌশলে পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন ওই যানটি থেকে ইয়াবার ব্যাগটি ছিনতাই করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ব্যাগে আনুমানিক ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল। ইয়াবাগুলো হস্তগত করার পরপরই অভিযুক্তরা দ্রুত এলাকা থেকে সটকে পড়ে।

‎জনসম্মুখে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে এত বড় ইয়াবার চালান ছিনতাইয়ের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এবং তাদের কারণে সীমান্ত এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে।

‎ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা তৎপরতা শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর