• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
উখিয়ায় ভূমিদস্যু চক্রের পতন—এক পরিবারের পিতা-পুত্র-ভাইসহ ৬ জনের সশ্রম কারাদণ্ড কুতুপালং খালের প্রাণ ফেরানোর উদ্যোগ: বর্জ্য অপসারণের পর এবার উচ্ছেদের পালা প্রাক্তনের বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া উচিত? উখিয়ার বালুখালীতে বাবুলের নেতৃত্বে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাই  রামুতে সার পাচারের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য! তদন্ত থমকে ৫৬ দিন, কৃষকের চরম দুর্ভোগ উখিয়ার বালুখালী মরাগাছ তলায় ইজারার নামে চাঁদাবাজি, জড়িত বিএনপি-যুবদলের সিন্ডিকেট! বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তারের শঙ্কায় মেসি কুতুপালং বাজারের ময়লায় অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী ঘুমধুম খাল; বিপর্যয়ের মুখে দুই উপজেলার জনস্বাস্থ্য মানবপাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি এনসিপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

উখিয়ায় ভূমিদস্যু চক্রের পতন—এক পরিবারের পিতা-পুত্র-ভাইসহ ৬ জনের সশ্রম কারাদণ্ড

উখিয়া প্রতিনিধি / ৬৪ বার
সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে জমি দখল, ভয়ভীতি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে আলোচিত উখিয়ার মরিচ্যা বাজারে অবশেষে নেমে এলো আদালতের কঠোর রায়। এক পরিবারের ছয় সদস্যের বিরুদ্ধে দেওয়া এই রায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল-২০২৬ইং) জিআর- ৩৬০/২০১৭ইং (উখিয়া) মামলায় মরিচ্যা বাজারের একটি আলোচিত ভূমি দখলচক্রের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক রায় ঘোষণা করেছে কক্সবাজার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। আদালতের বিচারক শফিউল আজম এক পরিবারের পিতা, পুত্র ও ভাইসহ মোট ৬ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নুরুল আলম, মাহবুব আলম, জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ আলম, আবু তাহের ও এহসানুল করিম। মামলার বিবরণে জানা যায়, উখিয়ার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যা এলাকায় প্রবীণ হাজী নুরুল ইসলামের জমি দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে। একাধিকবার অবৈধ দখলের চেষ্টা ও হুমকির ঘটনায় পরে মামলা দায়ের করা হয়।

দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে এই সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্যে বলা হয়, আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে দীর্ঘদিন ধরে জমি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল এবং ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করে। আদালত প্রমাণের ভিত্তিতে যে রায় দিয়েছেন, তা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ এবং এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে শক্ত বার্তা বহন করে।

এছাড়াও রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্তদের আরও কঠোর শাস্তির দাবিতে উচ্চ আদালতে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, এই রায়ের মাধ্যমে এলাকায় দীর্ঘদিনের ভূমি দখল চক্রের দৌরাত্ম্যের অবসান ঘটেছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। আরও একাধিক মামলা তাদের বিরুদ্ধে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর