• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
উখিয়ায় বহুতল ভবন উচ্ছেদে বন বিভাগের ‘দায়সারা’ মামলা কুতুপালং খালের প্রাণ ফেরানোর উদ্যোগ: বর্জ্য অপসারণের পর এবার উচ্ছেদের পালা প্রাক্তনের বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া উচিত? উখিয়ার বালুখালীতে বাবুলের নেতৃত্বে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাই  রামুতে সার পাচারের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য! তদন্ত থমকে ৫৬ দিন, কৃষকের চরম দুর্ভোগ উখিয়ার বালুখালী মরাগাছ তলায় ইজারার নামে চাঁদাবাজি, জড়িত বিএনপি-যুবদলের সিন্ডিকেট! বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তারের শঙ্কায় মেসি কুতুপালং বাজারের ময়লায় অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী ঘুমধুম খাল; বিপর্যয়ের মুখে দুই উপজেলার জনস্বাস্থ্য মানবপাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি এনসিপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

মাদক ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি উখিয়ার যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ হানিফ এলাকায় চালাচ্ছেন ত্রাস

সুমাইয়া আক্তার, উখিয়া / ৩১১ বার
সময় : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় একের পর এক গুরুতর ফৌজদারি মামলার আসামি হয়েও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ হানিফ—এমন অভিযোগে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রাজাপালং ইউনিয়নের পূর্ব ডিগলিয়া পালং এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হানিফ ইউনিয়ন যুবলীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি রাজাপালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করছিলেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয়ভীতি, প্রভাব বিস্তার ও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছেন।

থানা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ হানিফের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় অন্তত চারটি গুরুতর ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। এসব মামলায় মারধর, মাদক কারবার, বিস্ফোরক দ্রব্য রাখা, হত্যাচেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের মতো ভয়াবহ অভিযোগ রয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী—
২০০৬ সালের ২ মে উখিয়া থানায় দায়ের হওয়া মামলা নং-০২-এ তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
পরবর্তীতে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি উখিয়া থানার মামলা নং-৪১/১০৩-এ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(গ)/৪১ ধারায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়।

সবশেষ ২০২৫ সালে তার বিরুদ্ধে আরও দুটি গুরুতর মামলা হয়।
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে দায়ের হওয়া মামলা নং-১৫-এ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন ২০০২ সহ দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

এছাড়া ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মামলা নং-৫৫-এ বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯০৮ এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় তাকে আসামি করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, “এতগুলো মামলা থাকার পরও হানিফ এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে। তার লোকজন দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়, কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।” অনেকেই দাবি করেছেন, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করছেন।

তবে প্রশ্ন উঠেছে—একাধিক মামলার আসামি হয়েও কীভাবে একজন ব্যক্তি এলাকায় এতটা সক্রিয় থাকে?
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ হানিফের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর