• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
উখিয়ায় বহুতল ভবন উচ্ছেদে বন বিভাগের ‘দায়সারা’ মামলা কুতুপালং খালের প্রাণ ফেরানোর উদ্যোগ: বর্জ্য অপসারণের পর এবার উচ্ছেদের পালা প্রাক্তনের বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া উচিত? উখিয়ার বালুখালীতে বাবুলের নেতৃত্বে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাই  রামুতে সার পাচারের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য! তদন্ত থমকে ৫৬ দিন, কৃষকের চরম দুর্ভোগ উখিয়ার বালুখালী মরাগাছ তলায় ইজারার নামে চাঁদাবাজি, জড়িত বিএনপি-যুবদলের সিন্ডিকেট! বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তারের শঙ্কায় মেসি কুতুপালং বাজারের ময়লায় অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী ঘুমধুম খাল; বিপর্যয়ের মুখে দুই উপজেলার জনস্বাস্থ্য মানবপাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি এনসিপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

পালংখালীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, উখিয়া: / ২৩১ বার
সময় : রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাদী জাফর আলম (৫৩) উখিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন— তার ক্রয়কৃত জমিতে বিবাদী আব্দুল গফুর (৬০) আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দালান ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে বাদী ‘খতিয়ান সংশোধন’ বিষয়ক মামলা (মামলা নং—০৬/২০২৫) বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে দায়ের করেন। আদালত নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করেন এবং পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখেন। এ মামলার পরবর্তী শুনানীর তারিখ আগামী ২৩ নভেম্বর ধার্য রয়েছে।

বাদীর দাবি, আদালতের নিষেধাজ্ঞার কপি বিবাদীর পক্ষেও পৌঁছেছে। তারপরও উখিয়ার পশ্চিম ফারির বিল, পালংখালী মৌজায় নিষেধাজ্ঞাকৃত জমিতে পাকা দালান নির্মাণের কাজ অব্যাহত রয়েছে। এমনকি গত ৫ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে তিনি কাজ বন্ধ করতে গেলে তাকে গালিগালাজ, মারধর ও খুন-জখমের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

বাদী আরও জানান— স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করার পর তিনি থানায় এসে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন।

অভিযুক্ত বিবাদী আব্দুল গফুরের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পালংখালী মৌজার আর এস খতিয়ান- ১৫৭ ও দাগ- ৩৭০৯ এর ০.৫০ শতক এবং বি এস খতিয়ান- ৪৮৫ ও দাগ- ২০০৬ এর ০.৫০ শতক জমি বাদী জাফর আলমের মালিকানাধীন। এই দাগগুলো নিয়েই বর্তমানে বিরোধ, নিষেধাজ্ঞা ও অনধিকার প্রবেশের মূল সংকট বলে দাবি করেন তিনি।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বাদীর পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবিদুল হুদা বলেন, “আদালতের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা চলমান। কেউ নিষেধাজ্ঞার আদেশকে উপেক্ষা করলে আইন অনুযায়ী তার জবাবদিহি করতেই হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর