৫ জানুয়ারি, সকাল ১১ টা। উখিয়া-টেকনাফ মহাসড়কের পাশে উখিয়া কলেজ সংলগ্ন হাজাম রোড এলাকায় হঠাৎ থামে পুলিশের গাড়ি। একদল পুলিশ একটি সিএনজি থেকে গতিরোধের পর বস্তা সাদৃশ্য বস্তু নামিয়ে ফেলে পরোক্ষণে সেই সিএনজিও নিয়ে যাওয়া হয় অন্যত্র। প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় এক চায়ের দোকানদার জানান, সেই বস্তায় ছিলো অন্তত চার কার্ট বা চল্লিশ হাজার ইয়াবা।
আরেক যুবকের দাবি অনুযায়ী পুলিশ ড্রেস পরিহিত অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন উখিয়া থানার এসআই সুমন দে, বুকের নেমপ্লেট দেখে তিনি তাকে চিনতে পারেন।
হাজম রোড কেন্দ্রিক সংঘবদ্ধ ইয়াবা সিন্ডিকেট এই পাচারে লিপ্ত ছিলো বলে স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানগুলোর ভিডিও ইতিমধ্যে ফেসবুকেও ছড়িয়েছে।
তবে আশ্চর্যের বিষয় উখিয়া থানায় বর্ণিত সময় এবং ইয়াবা সংখ্যা মিলে এমন কোন মামলা বা অভিযান ৫ তারিখে নেই। অর্থাৎ সুকৌশলে পুরো অভিযানকে গায়েবীতে রুপান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, বিষয়টি সঠিক কিনা জানিনা তবে খতিয়ে দেখব।
অন্যদিকে অভিযুক্ত এসআই সুমন পুরোপুরি বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং কোন অভিযান সেখানে হয়নি বলে দাবী করে অভিযোগ এড়িয়ে যান।
পুলিশের কোন সদস্য যদি ইয়াবা লুটের মতো অপরাধে যুক্ত থাকেন, তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস।