• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
রামুতে সার পাচারের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য! তদন্ত থমকে ৫৬ দিন, কৃষকের চরম দুর্ভোগ উখিয়ার বালুখালী মরাগাছ তলায় ইজারার নামে চাঁদাবাজি, জড়িত বিএনপি-যুবদলের সিন্ডিকেট! বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তারের শঙ্কায় মেসি কুতুপালং বাজারের ময়লায় অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী ঘুমধুম খাল; বিপর্যয়ের মুখে দুই উপজেলার জনস্বাস্থ্য মানবপাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি এনসিপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ নিয়ম ভেঙ্গে নগদ টাকা বিতরণ: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিতর্কিত এনজিও “ছওয়াব” এর কর্মকাণ্ডে নিরাপত্তা শঙ্কা বেলায়েত চক্রে ভোগছে নিরহ পর্যটন উদ্যোক্তারা সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন সাখাওয়াত

একবছরে ১১০টির বেশি বন মামলা, অপপ্রচারের প্রতিবাদ উখিয়া রেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০৭ বার
সময় : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় কক্সবাজারের উখিয়া রেঞ্জের বিরুদ্ধে যে অনিয়মের অভিযোগ করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। বনভূমি দখল প্রতিরোধ এবং পাহাড় কাটা রোধে উখিয়া রেঞ্জ সর্বদা তৎপর।

বর্তমান রেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে চরম তৎপরতার মাধ্যমে জবরদখল প্রতিরোধ, পাহাড় কাটা ও গাছ কাটা বন্ধে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে উখিয়া রেঞ্জে ১১০টিরও বেশি বন মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সময়ে পাহাড় কাটা ও গাছ কাটা প্রতিরোধে ১৫টিরও বেশি ডাম্পার ট্রাক জব্দ করা হয়েছে এবং ৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। উখিয়া রেঞ্জ কোনো গাছ পাচারকারীর সঙ্গে জড়িত নয়—এই অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

বনভূমিতে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে উখিয়া রেঞ্জের সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগটিও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সম্প্রতি অনেকগুলো পাকা ও সেমিপাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় ১৫ একর বনভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। যখনই কোনো স্থাপনা নির্মাণ করে জবরদখলের চেষ্টা করা হয়, তখনই উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হয়।

উখিয়া রেঞ্জ একটি রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা। এখানে প্রায় ২০ লাখ রোহিঙ্গা ২৬টি ক্যাম্পে বসবাস করছে। বিভিন্ন এনজিও রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কাজ করে আসছে। ২০১৭ সাল থেকে এসব এনজিও কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে নতুন করে কোনো এনজিওকে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

রোহিঙ্গাদের সেল্টার নির্মাণে ব্যবহৃত বাঁশগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্যাম্পে আনা হয়। বন বিভাগের চেকপোস্টগুলোতে নিয়ম অনুযায়ী কাগজপত্র যাচাই করা হয়।

উক্ত প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি বিভিন্ন সময়ে বনকর্মীদের জিম্মি করে চাঁদাবাজি করে আসছেন। উখিয়া রেঞ্জের বিরুদ্ধে তার আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মনগড়া, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর