• শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

উখিয়ার প্রকৃতি ও জীবনের গল্প তুলে ধরছেন তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর সাকিবুল হাসান ক্রিয়েটিভ – Sakibul Hasan Creative

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি / ৭০ বার
সময় : শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬

ডিজিটাল কনটেন্টের বিস্তৃত জগতে প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছেন নতুন নতুন সৃষ্টিশীল তরুণ। তবে সবার ভিড়ে আলাদা করে নজর কাড়তে হলে প্রয়োজন ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি, সৃজনশীলতা এবং ধারাবাহিকতা। উখিয়ার তরুণ কনটেন্ট নির্মাতা সাকিবুল হাসান ঠিক সেই জায়গাটিতেই নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছেন।

ড্রোন প্রযুক্তি ও ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের সমন্বয়ে তিনি তুলে ধরছেন কক্সবাজারের উখিয়া অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, গ্রামীণ জীবনধারা এবং মানুষের নিত্যদিনের গল্প। তার নির্মিত ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রমেই দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

সাকিবুল হাসানের কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—দৃশ্যকে গল্পে রূপ দেওয়ার সক্ষমতা। ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে তিনি এমন সব দৃষ্টিকোণ থেকে ভিডিও ধারণ করেন, যা সাধারণত দর্শকের কাছে অচেনা। পাহাড়ি পথ, সবুজ প্রান্তর, নদীর বাঁক কিংবা জনপদের দৈনন্দিন জীবন—সবকিছুই তার ক্যামেরায় ধরা পড়ে এক নতুন আঙ্গিকে।

তার ভাষায়, “আমি শুধু ভিডিও করি না, আমি চেষ্টা করি প্রতিটি দৃশ্যের ভেতরে একটা গল্প তুলে ধরতে—যাতে দর্শক শুধু দেখে না, অনুভবও করতে পারে।”

উখিয়া অঞ্চলের প্রাকৃতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে তিনি এমনভাবে উপস্থাপন করেন, যা স্থানীয়তার গণ্ডি পেরিয়ে বৃহত্তর দর্শকের কাছেও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। তার ভিডিওগুলোতে যেমন রয়েছে প্রকৃতির নান্দনিকতা, তেমনি রয়েছে মানুষের সংগ্রাম, আনন্দ এবং জীবনের ছোট ছোট মুহূর্ত।

সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমেও তিনি ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই কনটেন্টগুলো সাড়া ফেলছে।

“Sakib UI Hasan” নামের ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত তার ভিডিওগুলো ইতোমধ্যে দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করেছে। নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশ, উন্নত ভিজ্যুয়াল মান এবং গল্প বলার ভিন্নধর্মী কৌশল তাকে আলাদা করে তুলেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের লোকালাইজড কিন্তু সিনেমাটিক কনটেন্ট আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছেও বাংলাদেশকে নতুনভাবে উপস্থাপন করতে পারে।

সীমিত সম্পদ নিয়েও সৃজনশীলতার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছেন সাকিবুল হাসান। তার এই যাত্রা প্রমাণ করে—প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে যেকোনো স্থান থেকেই বৈশ্বিক পরিসরে পৌঁছানো সম্ভব।

ভবিষ্যতে আরও উচ্চমানের ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট তৈরি করে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চান তিনি। পাশাপাশি স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মানুষের জীবনধারাকে আরও গভীরভাবে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর