• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
উখিয়ায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত মা: ৪৮ ঘণ্টা পর হত্যা মামলা, আসামি ১০ মনখালী বলী খেলায় গ্রাম পুলিশের নেতৃত্বে চলছে জুয়ার আসর: প্রশাসনের ‘রহস্যজনক’ ভূমিকায় ফুঁসছে এলাকাবাসী কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যেন মরণফাঁদ, দুই মাসে প্রাণ গেল ৩৩ জনের মনখালী বলী খেলায় গ্রাম পুলিশের নেতৃত্বে চলছে জুয়ার আসর: প্রশাসনের ‘রহস্যজনক’ ভূমিকায় ফুঁসছে এলাকাবাসী ওসি-এসআইয়ের গাফিলতি! থানায় অভিযোগের জেরে চলা বিরোধের বলি হলো উখিয়ার সৈয়দা খাতুন কক্সবাজারে হঠাৎ পর্যটক খরা, হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা হা-হা রিয়েক্ট কেন্দ্র করে বিএনপি সমর্থকদের হামলা, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু উখিয়া পাগলির বিলের শীর্ষ মাদক কারবারি ভুট্টোর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওসি ও এনএসআই পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ানোর অভিযোগে সুজন রানাকে ঘিরে নানা প্রশ্ন কক্সবাজারে নতুন আতঙ্ক সৈকতের আয়নাবাজি, স্থানীয়দের ক্ষোভ ও তদন্তের দাবি

উখিয়ায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত মা: ৪৮ ঘণ্টা পর হত্যা মামলা, আসামি ১০

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২০০ বার
সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় ছেলেকে প্রতিপক্ষের হামলা থেকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত হওয়া গৃহবধূ ছৈয়দা খাতুন হত্যা ঘটনায় অবশেষে ৪৮ ঘণ্টা পর মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীসহ ১০ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ৭ থেকে ৮ জনকে।

নিহত ছৈয়দা খাতুন (৫৫) উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সব্বির আহমেদের স্ত্রী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মে রাতে টাইপালং গ্রামে পূর্ববিরোধের জেরে একদল ব্যক্তি আব্দুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীদের মারধরে ঘটনাস্থলেই মারা যান তাঁর মা ছৈয়দা খাতুন।

সোমবার রাত ৮টার দিকে নিহতের ছেলে আব্দুর রহমান বাদী হয়ে উখিয়া থানায় মামলার এজাহার জমা দেন। পরে পুলিশ সেটিকে নিয়মিত হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, নিহতের ছেলের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।

মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে স্থানীয় রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য ইউপি সদস্য প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সদস্য মিজান সিকদারকে। এ ছাড়া তাঁর ছেলে ছাত্রদল নেতা হাসেম সিকদার জিসানকেও আসামি করা হয়েছে।

অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের অ্যাম্বুলেন্সচালক শামসুল আলম, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, তাঁর ছেলে ছাত্রদল নেতা জুলফিকার আকাশ, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ বাবুল, রাজাপালং ইউনিয়ন শ্রমিকদল (দক্ষিণ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিকদার, জাহাঙ্গীর আলম, জামাল উদ্দিন ও রাজাপালং ইউনিয়ন যুবদল নেতা রফিক উদ্দিন।

বাদী আব্দুর রহমান বলেন, “আমার মাকে আমার সামনেই হত্যা করা হয়েছে। যাদের আমি ঘটনাস্থলে দেখেছি, তাঁদের নামই মামলায় দিয়েছি। হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।”

এর আগে রোববার দুপুরে টাইপালং গ্রামে ছৈয়দা খাতুনের জানাজায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর