• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
ওসি-এসআইয়ের গাফিলতি! থানায় অভিযোগের জেরে চলা বিরোধের বলি হলো উখিয়ার সৈয়দা খাতুন কক্সবাজারে হঠাৎ পর্যটক খরা, হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা হা-হা রিয়েক্ট কেন্দ্র করে বিএনপি সমর্থকদের হামলা, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু উখিয়া পাগলির বিলের শীর্ষ মাদক কারবারি ভুট্টোর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওসি ও এনএসআই পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ানোর অভিযোগে সুজন রানাকে ঘিরে নানা প্রশ্ন কক্সবাজারে নতুন আতঙ্ক সৈকতের আয়নাবাজি, স্থানীয়দের ক্ষোভ ও তদন্তের দাবি সাংবাদিক মুজিবকে হেনস্থা- উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের বিবৃতি ও নিন্দা পানের দোকানি থেকে ইয়াবা রাজত্বের নতুন ‘ডন’ মুন্না সীতাকুণ্ডে অবৈধভাবে সরকারি চাল মজুদ, ৫ লাখ ৭৮ হাজার কেজি চাল জব্দ; গ্রেফতার ১ রামু প্রেস ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন আবদুল্লাহ আল মামুন সভাপতি, সোয়েব সাঈদ সাধারণ সম্পাদক

ওসি ও এনএসআই পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ানোর অভিযোগে সুজন রানাকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৬৬ বার
সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

উখিয়ায় নিজেকে কখনো ওসি, কখনো এনএসআই সদস্য পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সুজন রানার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে গভীর রাতে ফোন দিয়ে থানায় ডাকার মতো ঘটনাও ঘটাচ্ছেন তিনি।

 

ভুক্তভোগীদের দাবি, সম্প্রতি এক ব্যক্তিকে রাত প্রায় ১১টার দিকে ফোন দিয়ে সুজন রানা নিজেকে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে থানায় দেখা করতে বলেন। তবে পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি পুলিশ কিংবা এনএসআইয়ের কোনো সদস্য নন।

 

এ বিষয়ে উখিয়া থানা-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, “সুজন রানা নামে থানায় কোনো পুলিশ সদস্য কর্মরত নেই।”

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আন্দোলনের সময় তিনি বিভিন্ন শিক্ষকদের সঙ্গে নেতৃত্বমূলক ভূমিকায় দেখা গিয়েছিলেন। এরপর থেকেই এলাকায় তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠতে শুরু করে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, সুজন রানার বাড়ি ভালুকিয়া এলাকায়। ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় তার তৎপরতা বেড়ে যায়। স্থানীয় মুরব্বিদের প্রতিও তিনি সম্মানজনক আচরণ করেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে প্রশাসনের প্রভাব দেখিয়ে চলাফেরা করেন বলেও দাবি স্থানীয়দের।

 

এছাড়া ইউএনও, এসপি ও ডিসির নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের প্রশ্ন— প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে গভীর রাতে মানুষকে ফোন দেওয়া ও বিচার সালিশের নামে ডেকে হয়রানি করার পেছনে আসল উদ্দেশ্য কী?

 

এ ঘটনায় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরদারি ও তদন্ত দাবি করেছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর