না জানিয়ে সীমান্তে সেনা সংখ্যা বাড়ানোয় মিয়ানমার সরকারকে অসন্তোষ জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানান, সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানকে যুক্তি হিসেবে দাঁড় করালেও নেপিদোর ব্যাখ্যা স্পষ্ট নয়।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন করে কোনও রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া হবে না। সীমান্ত পরিস্থিতিতে ঢাকা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কোনও ঘোষণা ছাড়াই দু’দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছাকাছি অন্তত তিনটি পয়েন্টে স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ করেছে মিয়ানমার। এ তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বাংলাদেশ কাছে। হঠাৎ করে সন্দেহজনকভাবে সেনা মোতেয়ানের কারণ জানতে চাইলে এর কোনও সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানান, সন্ত্রাসী তৎপরতা ঠেকানো কথা বলেও মিয়ানমারের জবাব গ্রহণযোগ্য নয়।

শাহরিয়ার আলম বলেন, চুক্তি মোতাবেক সীমান্তে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়াতে হলে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে তা অবহিত করার যে নিয়ম তা লঙ্ঘন করেছে মিয়ানমার। এ বিষয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতেও সন্তুষ্ট নয় ঢাকা।

নেপিদোর সঙ্গে আলোচনায় ঢাকা এ অন্তোষ জানিয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

কয়েকদিন আগে হঠাৎ করে সীমান্তে সেনা সংখ্যা বৃদ্ধি করায়, গত রোববার ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে উদ্বেগ প্রকাশ করে এর ব্যাখ্যা চায় বাংলাদেশ। কিন্তু সীমান্তে কেন অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ করা হয়েছে— বাংলাদেশকে এর কোনও সন্তোষজনক জবাব দেয়নি মিয়ানমার।