সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায় শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন গোলাম রাব্বী। দেশে করোনা পরিস্থির অবস্থা জেনেও ‘নিছক মজা করতেই’ ত্রাণ চেয়ে অনবরত সরকারি সেবার ৩৩৩ নম্বরে ফোন করেন তিনি। পরে তাকে আটক করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।

মজা করার এ ঘটনায় রাব্বীর সঙ্গে আরও চারজনকে আটক করেন ইউএনও জাহিদ হাসান সিদ্দিকী। তারা হলেন, তাড়াশ উপজেলার মাহমুদুল হাসান, শফিকুল ইসলাম, মনসুর নগর ইউনিয়নের শালগ্রামের ফরিদ, পৌর এলাকার বেড়ীপোটল গ্রামের তমেজ উদ্দিন। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়েও দেওয়া হয়।

ইউএনও কার্যালয় থেকে জানা গেছে, শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে এসে মজা করতে ত্রাণ চেয়ে অনবরত সরকারি সেবার ৩৩৩ নম্বরে ফোন করেন গোলাম রাব্বী। তার কথা শুনে জরুরি ত্রাণ সেবা নিয়ে রাব্বীর শ্বশুরবাড়ি যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ হাসান সিদ্দিকী। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, যে বাড়ি থেকে রাব্বী ফোন দিয়েছেন তা পাকা। এমনকি রয়েছে পর্যাপ্ত খাবার। মজুদ রয়েছে ত্রাণের চাল, ডাল, চিনি, লবণও। পরে রাব্বী ও তার সঙ্গে বাকি চারজনকে আটক করে নিজের অফিসে নিয়ে যান ইউএনও।

অবশ্য সেই রাতেই রাব্বীর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অনুরোধের কারণে মুচলেকা নিয়ে আটক রাব্বী ও তার বন্ধুদের ছেড়ে দেন ইউএনও জাহিদ হাসান সিদ্দিকী।

কাজিপুরের ইউএনও  বলেন, ‘দেশে করোনা পরিস্থিতির এই অবস্থায় এমন মজা করা খুবই দুঃখজনক। সারা দিন দৌড়ঝাপের মধ্যেই থাকতে হচ্ছে। তারপরও ফোন পেয়ে গিয়ে দেখি তারা মিথ্যা কথা বলেছে। অন্যান্যদের সাবধানতার জন্য ওই পাঁচজনকে আটক করি। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছি।’