বগুড়ায় শ্বশুরকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগে জামাই আবু সাঈদসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে অপহৃত শ্বশুর আব্দুল গাফফারকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার আটকদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর থানার ওসি (তদন্ত) রেজাউল করিম রেজা।

আটক আবু সাঈদের বাড়ি জেলার কাহালু উপজেলার দেওগ্রাম দীঘিরপাড়ায়। তার বাবার নাম রইচ উদ্দিন। আটক অন্যরা হলেন- একই উপজেলার চকজগৎপুর এলাকার কমের উদ্দিনের ছেলে জিয়াউর রহমান ও জাঙ্গালপাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে মো. হৃদয় প্রাং।

জানা গেছে, বগুড়া সদর উপজেলার বুজরুক বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গাফফার স্থানীয় বায়তুল রহিম জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন। সোমবার রাতে তিনি মসজিদে ঘুমিয়েছিলেন। রাত ১০টায় মেয়ের জামাই আবু সাঈদের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে মসজিদ থেকে অপহরণ করে নিয়ে যান। অপহরণের পর আব্দুল গাফফারের ছেলে আলালের কাছে মুঠোফোনে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তারা। একপর্যায়ে বিষয়টি সদর থানায় জানানো হয়। পরে পুলিশের পরামর্শে অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন আলাল।

অপহরণকারীরা মুক্তিপণের টাকা নিয়ে বগুড়া সদরের চণ্ডিহারা বন্দর এলাকায় যেতে বলেন। মঙ্গলবার রাতে মুক্তিপণের টাকা নিয়ে চণ্ডিহারা বন্দরে যান আলালসহ পুলিশ। টাকা লেনদেনের সময় পুলিশ তিন অপহরণকারীকে আটক করে। পরে আটকদের তথ্যমতে অপহৃত আব্দুল গাফফারকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

বগুড়া সদর থানার ওসি (তদন্ত) রেজাউল করিম রেজা জানান, অপহৃত আব্দুল গাফফারকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপহৃতের জামাইসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটক তিনজনসহ চারজনের নামে মামলা করেছেন অপহৃতের ছেলে আলাল।