স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফেরৎ যাবে। ভাসানচর ও আশপাশ এলাকার শান্তি শৃংখলার জন্য এ থানা উদ্বোধন করা হয়েছে। রোহিঙ্গারা এতোদিন ভুল বুঝেছিলো যে, এখানে তাদের নানা ধরনের অসুবিধা হবে। ভাসানচরের সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তা দেখে ভবিষ্যতে রোহিঙ্গারা দলে দলে এখানে আসবে। হাতিয়া উপজেলার ৪০০ ইউনিয়নের ছয়টি মৌজা নিয়ে এ নতুন থানা গঠিত হয়।

মঙ্গলাবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নতুন থানা উদ্বোধন করেন।

ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্প-৩ এ বসবাসকারী মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাসহ অন্যদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিতের জন্য একজন পুলিশ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা), দু’জন উপ-পরিদর্শক (এসআই), চারজন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই), ১৭ জন কনস্ট্রেবলসহ মোট ২৪টি পদ নিয়ে মঙ্গলবার থেকে ভাসানচর থানার কার্যক্রম শুরু হলো।

পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌস, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল উদ্দিন, আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহিদুজ্জামান, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. শফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম খান, ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্প-৩ এর প্রকল্প পরিচালক কমোডোর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী প্রমুখ।

ভাসানচরে এক লাখ রোহিঙ্গা স্থানান্তরের পরিকল্পনায় তাদের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে ২০১৭ সালে এ নবগঠিত থানা অনুমোদনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৬তম সভায় এ থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ভাসানচর থানার জন্য ২৪টি পদ অনুমোদন করে। ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ পদগুলোর মঞ্জুরি প্রদান করে।