নোয়াখালীর ভাসানচরে পৌঁছাল আরও ১ হাজার ৮০৪ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশু। দ্বিতীয় দফায় তাদের সেখানে পৌঁছে দেয় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ছয়টি জাহাজ। এ নিয়ে ভাসানচরে আশ্রয় মিললো ৩ হাজার ৪৪৬ জন রোহিঙ্গার।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন। এর আগে মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে জাহাজগুলো চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গায় নৌবাহিনীর বোট ক্লাব সংলগ্ন জেটি থেকে রওনা হয়। ভাসানচরে পৌঁছায় দুপুরে। সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়, এসব রোহিঙ্গারা স্বপ্রণোদিত হয়ে ভাসানচরে গেছেন। কাউকে জোর করা হয়নি।

এর আগে গেলো সোমবার রাতে কক্সবাজারের উখিয়া থেকে রোহিঙ্গাদের দ্বিতীয় দল নিয়ে ৩০টি বাস চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গায় বিএফ শাহীন কলেজের মাঠে পৌঁছায়। সেখানে রাতযাপনের পর মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে বাসে করে তাদের বোট ক্লাবে নিয়ে আসা শুরু হয়।

বলে রাখা ভালো ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ ও বান্দরবানের তমব্রু সীমান্ত দিয়ে মায়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা প্রবেশ শুরু করেন। তখনকার কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার শিকার হয়ে ৭ লাখ ৪০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসে। বাংলাদেশে বর্তমানে নতুন-পুরোনো মিলিয়ে  ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে।