গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরো ১৫৩২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৬১০। এ সময়ের মধ্যে মারা গেছেন আরো ২৮ জন। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ৪৮০।

চব্বিশ ঘণ্টায় ৪১৫ জন মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৯০১ জন। দেশে করোনা শনাক্তের বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০.৫ শতাংশ; মৃত্যুর হার ১.৪৩ শতাংশ।

রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাই বুলেটিনে এ সকল তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

এসময় যারা দেশবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। বুলেটিনে করোনার বিস্তাররোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

বুলেটিনে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৪৭টি ল্যাবে কভিড-১৯ এর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৯ হাজার ১৮৪টি। পরীক্ষা করা হয়েছে ৮ হাজার ৯০৮টি। গত একদিনে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ২৫৩ জনকে; ছাড় পেয়েছেন ৯৪ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪ হাজার ৪৪৬ জন।

চব্বিশ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ৬৩টি জনকে। ছাড় পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৭ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৫ হাজার ১৫৩ জন।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এপ্রিলের শুরু থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে; যার মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। মানুষকে ঘরে রাখতে রাজপথের পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় টহল দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ।