টেকনাফ থানায় সদ্য যোগ দেয়া ওসি আবুল ফয়সল ও কক্সবাজার সদর থানার ওসি খায়রুজ্জামানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশ হেড কোয়ার্টার এর এক আদেশে এই প্রত্যাহার করা হয় বলে জানা গেছে।

৩১ জুলাই মেজর অবসরপ্রাপ্ত সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পর টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমারকে বরখাস্ত করা হয় এবং গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি প্রদীপ এখন র‍্যাবের রিমান্ডে রয়েছেন।
ঘটনার পরপর টেকনাফ থানার ওসি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় আবুল ফয়সলকে। কিন্তু তিনি টেকনাফ থানায় যোগদান করেই ওসি প্রদীপের পথেই হাঁটা শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
টেকনাফ থানায় গত দুই বছর ধরে প্রদীপের খুন ধর্ষণ চাঁদাবাজি ও ক্রসফায়ারে নির্যাতিত মানুষের অভিযোগ না নেয়ার পাশাপাশি থানার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ সরিয়ে নেয়ারও অভিযোগ পাওয়াগেছে তার বিরুদ্ধে ।
৩১ জুলাই এর আগের রাত থেকে পরবর্তী ১১ দিনের থানার সিসিটিভি ফুটেজ সরিয়ে ফেলার মারাত্মক অভিযোগ পাওয়া গেছে ওসি আবুল ফয়সলের বিরুদ্ধে। এই সিসিটিভি ফুটেজ এখন সিনহা হত্যা মামলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সূত্রমতে, টেকনাফ থানার সিসিটিভির ফুটেজ গায়েব হওয়ার কারণে বদলি হচ্ছে টেকনাফ থানার ওসি আবুল ফয়সল এবং কক্সবাজার থানায় মামলা না নেওয়ার কারণে বদলি হচ্ছে কক্সবাজার থানার ওসি খায়রুজ্জামান।

ওসি খাইরুজ্জামা মাত্র কয়দিন আগে যোগদান করেছেন কক্সবাজার সদর থানায়। মঙ্গলবার রাতে নিহত মেজর সিনহার সহযোগী শিপ্রা দেবনাথ এর একটি মামলা নিতে অস্বীকার করায় তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।