প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখাকে কেন্দ্র করে তীব্র মাত্রায় পৌঁছেছে ভারত-চীন সংঘাত। ৪৫ বছর পরে এই প্রথম গুলি চলল লাদাখ সীমান্তে। এক আপরকে প্রথমে গুলি চালিয়েছে বলে অভিযুক্ত করছে। এদিকে বৃহস্পতিবার মস্কোয় সাংহাই সম্মেলনের ফাঁকে ভারত ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে প্রস্তাবিত বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলেই মনে করছে কূটনৈতিকরা। খবর আলজাজিরার।

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়, যখন চীনের সেনা আলোচনার চেষ্টা চালাচ্ছিলো তখন ভারতের সেনার তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে। ফলে চীন বাধ্য হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলে বলেও জানানো হয়। অন্যদিকে ভারতের পক্ষ থেকেও আগে গুলি করার জন্য চীনকে দায়ি করা হয়। ১৯৯৭৫ সালে পরে এ সীমান্তে কোন গুলির ঘটনা ঘটেনি। নতুন করে এ সীমান্তে গুলিবর্ষণের ঘটনায় সামনে সংঘাত আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত জুনে গালওয়ান এলাকায় দুদেশের সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান মারা গেলেও গুলি চলেনি।

লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে বিস্তারিত রিপোর্ট দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান এম এম নরবণে। মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি লাদাখের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসার কথা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভারত ও চীনের ব্রিগেডিয়ারদের মধ্যে হটলাইনে কথা হয়।