ইতিহাস লেখা হলো না পিএসজির। ইউরোপ সেরার মঞ্চে দুর্দান্ত বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে নেইমার বা কিলিয়ান এমবাপ্পের আসল কাজটাই করা হলো না। বিপরীতে সুরভিত ফুটবলের ‘বিজ্ঞাপন’ বায়ার্নকে পথ দেখালেন কিংসলে কোমান। তার একমাত্র গোলেই ইউরোপ সেরার মুকুট পড়ল জার্মান ক্লাবটি

ষষ্ঠবারের মতো জিতে নিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।

নায়ক হতে পারতেন অনেকেই। দর্শকদের বাজির তালিকায় কোমান আসলে মোটেও ওপরের দিকে ছিলেন না। কিন্তু ফুটবল বিধাতা কখন কাকে নায়ক করেন, তা তো কেবল তিনিই জানেন। তাই তো রবার্ট লেভানডোস্কি, থমাস মুলারের মতো বড় তারকার পাশেও উজ্জ্বল হয়ে যান কোমান। যিনি কিনা পিএসজির ‘ঘরের ছেলে’।

হ্যাঁ পিএসজির ‘ঘরের ছেলেই’ বলতে হবে ফরাসি তারকা কোমানকে। প্যারিসের ক্লাবটির হয়েই সিনিয়র পর্যায়ে ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল তার। ২০১৩-১৪ মৌসুমে পিএসজি বি দলের হয়ে শুরু করে একই বছর মূল দলের জার্সি গায়ে চাপান।

তার আগে বয়সভিত্তিক পর্যায়ে পিএসজির তাঁবুতে ছিলেন ৯ বছর। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৩, বলতে গেলে কোমানের ফুটবলের আসল পাঠ পিএসজিতেই।

সিনিয়র পর্যায়ে যদিও এক বছরের বেশি পিএসজিতে ছিলেন না কোমান। ১৪-১৫ মৌসুমে জুভেন্তাসে পাড়ি দেন। ইতালিয়ান ক্লাবটি থেকে এক মৌসুম পরই বায়ার্নে এসেছিলেন ধারে। ২০১৭ সালে থেকে তিনি পাকাপাকিভাবে বায়ার্নে।

এদিন পিএসজির ওপর চওড়া হয়ে খেললেও গোল পাচ্ছিল না বায়ার্ন। ৫৯ মিনিটে দলকে পথ দেখান কোমান। তাতে জিনেজিন জিদানের মতো কিংবদন্তির পাশেও নাম ওঠে গেছে ২৪ বছর বয়সীর।

মাত্র পঞ্চম ফরাসি খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে গোল করলেন কোমান। এর আগে জিদান (২০০২) ছাড়া যে কীর্তি গড়তে পেরেছিলেন কেবল করিম বেনজেমা (২০১৮), মার্সেল ডেসাইলি (১৯৯৪) ও বাসিলে বোলি (১৯৯৩)।