গুরুত্বপূর্ণ দুই উপজেলা উখিয়া- টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় জনগোষ্টি নেটওয়ার্ক বিপর্যয়ে চরম বিপযর্স্থ অবস্থায় রয়েছন। না ফোনে কথা বলতে পারে না নেট ব্রাউজ করতে পারছেন এমনটায় দাবী জানিয়ে আসছেন এখানকার স্থানীয় ভুক্তভুগী জন সাধারন।

বিশ্ব ব্যাপি কভিট ১৯ এর মহামারীর এই ক্লান্তি লগ্নে এখানকার বাসিন্দারা কোন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান প্রদান, বিপদ আপদের সংবাদ কোনভাবে শেয়ার করতে পারছেননা। ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় এলাকাটি অজগাঁয়ের জনগোষ্টির চেয়ে অবহেলিত। রবি, এয়াটেল, বাংলা লিংক, জিপিসহ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এবং দেশ পরিচালনার দায়িত্বরত সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, প্লিজ এই ক্লান্তি লগ্নে হলেও নেটওযার্ক বিপযর্য় থেকে আমাদের( টেকনাফ উখিয়া) বাসিকে মুক্তি দিন। আমাদের সাথে আপনারা চরম বিমাতাসুলভ আচরণ করছেন। মানবাধিকারলঙ্গন করছেন। যাদের জন্য (রোহিঙ্গা) নেটওয়ার্ক স্লো করছেন তারা ঠিকই মায়ানমার সিম- MPT, নয়তো WIFI ব্যবহার করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
প্লিজ আপনার আমাদের মানবাধিকার নিয়ে আর খেলবেননা। অন্যতাই, আমরা এই বৈশ্বিক দূর্যোগে আমাদের অধিকার আদায়ে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব এমনটায় হুশিয়ারী উচ্চারন করছেন
এখানকার জনসাধারন।
উল্ল্যেখ্য, মায়ানমার সরকার কর্তৃক নিমর্ম নির্যাতনের শিকারে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশের উখিয়া টেকনাফের ৩৩ টি ক্যাম্পে আশ্রীত রোহিঙ্গা জনগোষ্টির কতিপয় দুঃস্কৃতকারী কর্তৃক খুন, গুম, অপহরন, মাদক ব্যবসাসহ দিনদিন আইনশৃংখলা চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ায় সরকার এসব দুঃস্কৃতকারীদের দমনের লক্ষ্যে সাময়িকভাবে মোবাইল নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তাতে আইনশৃংখলাবাহিনী রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে অনেকাংশে সফলও হয়েছেন।
দেশের মানুষের জানমাল নিরাপত্তার স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত প্রয়োজন ছিল বলে এখানকার সচেতন মহল মনে করছেন।
এদিকে করোনা ভাইরাস দিনদিন মারাত্বক পর্যায়ে পৌঁছাতে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের ন্যায় এখানকার জনগনও উদ্বিগ্ন উৎকন্ঠায় রয়েছে। তারই ধারাবাহিকথায়, অন্তত পক্ষে করোনা নামক মহামারী চলাকালিন সময়ে হলেও নেটওয়ার্ক সমস্যা- সমাধানের জোরদাবী জানাচ্ছেন এখানকার ভুক্তভোগী বাসিন্দারা।