পুলিশ প্রশাসনের রদবদলের সুযোগে আত্বগোপনে থাকা উখিয়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারিরা আবারো প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। উখিয়া পালংখালী ইউনিয়নের থাইনখালী, রহমতের বিল সহ অন্যন্য এলাকার চিস্থিত ইয়াবা কারবারিদের বিচরণ চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও রাজাপালং ইউনিয়নের ডেইল পাড়া,দরগাবিল,হাতীমুরা,বটতলী, হাজীরপাড়া এলাকার ইয়াবা কারবারিরা ব্যস্ত ইয়াবা পাচারে। সম্প্রীতি প্রকাশ্যে এসেছেন উখিয়ার চিস্থিত ইয়াবা কারবারি মাহমুদুল হক । তার প্রকাশ্যে আসা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক কানাঘোষা চলছে।

জানা যায়,মাদক বিরোধী অভিযান শুরু হলে উখিয়া মসজিদ মার্কেটের বিছমিল্লাহ ট্রেডার্স নামক ২ টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্টান বিক্রি করে আত্বগোপনে চলে যায় উখিযার চিন্থিত ইয়াবা গড়ফাদার মাহমুদুল হক। আত্বগোপনে থাকার পর অদৃশ্য ইশারায় গত কিছুদিন ধরে আবরো এলাকায় বিচরন করছে মাহমুদুল হক। দিনের বেলায় দুছড়ি নিজ বাড়ীসহ আত্বীয় স্বজনদের বাড়ীতে থাকলেও সন্ধ্যার পর সে মটর বাইক নিয়ে বের হয় বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে। সন্ধ্যায় বের হয়ে মাহমুদুল হক কুতুপালং ক্যাম্প ভিত্তিক ইয়াবা বানিজ্য তদারকি করে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

খোজখবর নিয়ে জানা গেছে,উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের দুছড়ি গ্রামের হতদরিদ্র মোহাম্মদ আলীর ছেলে মাহমুদুল হকের উত্থানটা এককথায় বিস্ময়কর। ২০১৩ সালের দিকে দরিদ্র পিতার অভাবের দরুন সংসারের দ্বায়িত্ব এসে পড়ে মাহমুদুল হকের উপর। অল্প বেতনের চাকরি পায় মোবাইল অপারেটর রবিতে। বছর খানের রবিতে চাকরি করার পর ২০১৪ সালের দিকে ব্রাকের প্রতিষ্টান বিকাশে যোগ দেয় মাহমুদুল হক। বিকাশে এসআর হিসেবে কর্মরত অবস্থায় সে জড়িয়ে পড়েছে ইয়াবা বানিজ্যে। হাতে বিকাশ বিত্রিুর মোটা অংকের টাকা থাকায় প্রথম পর্যায়ে তাকে টাকার জন্য খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয়নি। মুলতঃ বিকাশ থেকেই মাহমুদুল হকের ইয়াবা বানিজ্যে হাতেকড়ি। এরপর থেকে তাকে আর পেছর ফিরে থাকাতে হয়নি। সিন্ডিকেট ভিত্তিক ইয়াবা ব্যবসা করে অল্প সময়ের ব্যবধানে হযে যায় কাড়ি কাড়ি টাকার মালিক। নামে-বেনামে একাধিক জায়গা জমি ছাড়াও নোহা ও মাইত্রেুা কিনে নেয় বেশ কয়েকটি। অল্প বয়সে,অল্প সময়ে মাহমুদুল অকল্পনীয় উত্থান এলাকার সবার মুখে মুখে থাকলেও বারবার সে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ম্যানেজের মাধ্যমে পার পেয়ে গেছে। গত ইয়াবা বিরোধী অভিযানের সময় মাহমুদুল হক আত্বগোপনে চলে যায়। এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত)  গাজী সালা উদ্দিন বলেন,মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। যে এলাকাগুলো মাদক প্রবণ সেসব এলাকার মাদকবিরোধী সমাবেশ করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগণকে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হচ্ছে।