ইতালিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রথম সচিব হিসেবে কর্তব্যরত দায়িত্ব পালন শেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মর্যাদায় নিয়োগ পেয়েছেন জনাব মোহাম্মদ রফিকুল করিম।
১২ জানুয়ারি ২০২১ ইংরেজি তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকারের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্যের সত্যতা জানা যায়।
উল্লেখ্য,জনাব মোহাম্মদ রফিকুল করিম কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং গ্রামের বাসিন্দা,
তিনি মৃত হাজী গোলাম বারী মাষ্টারের ষষ্ঠ সন্তান এবং কক্সবাজার সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও কক্সবাজার কমার্স কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ জনাব প্রফেসর ফজলুল করিমের ছোট ভাই।
উল্লেখ্য রফিকুল করিম ১৯৮৫ সালে দরগাহ বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে উখিয়া বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯১ সালে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন,চট্টগ্রাম হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সালে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাজীবন শেষ করেন,
অত্র বৎসরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে মেরিন সাইন্স(সামুদ্রিক জীববিজ্ঞান) বিভাগে উত্তীর্ণ হয় এবং উক্ত বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর, এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন।


শিক্ষাজীবন শেষ করে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন(PSC) এর আওতাভুক্ত ২১ তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে কর্মজীবন শুরু করেন।
তিনি সরকারি আমলা হিসেবে কর্মজীবনের প্রারম্ভে মাগুরা জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহকারি সচিব,
রাঙামাটি জেলার সহকারী জেলা প্রশাসক,
এবং বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব হিসেবে ইতালির দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত সম্মানে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা ছিলেন।
উপরিউক্ত রফিকুল করিম ১৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীভূত কর্তব্যের সহিত ৫ বছর দায়িত্ব পালন শেষে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
গত ১২ই জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বাংলাদেশ জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের
(উপ- সচিব)মর্যাদায় আসীন হয়ে দায়িত্ব অর্পণ করেন।
১৩ ই জানুয়ারি অর্পিত কর্মভারে দায়িত্ব পালন করা শুরু করেন।
বিভিন্ন মাধ্যম ও সরজমিনে জরিপ থেকে
এ তথ্য জানা যায়,
জনাব মোহাম্মদ রফিকুল করিম বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন সেক্টরে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে সততা,সাম্যভাব ও অত্যন্ত অনুরক্তির সহিত দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি এবং সুনামখ্যাত মাষ্টার পরিবার মিলে দেশবাসীর কাছে ওনার জন্য একান্ত দোয়া চেয়েছেন।