মহান আল্লাহতায়ালার প্রতি আনুগত্য এবং ত্যাগের মহিমায় করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা তথা কোরবানির ঈদ।

শনিবার সকালে নিকটস্থ মসজিদে ঈদের নামাজ শেষে সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি দিচ্ছেন মুসলিমরা।

করোনা পরিস্থিতিতে জাতীয় ঈদগাহসহ দেশের কোনো ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় হচ্ছে না। সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এখানে ছয়টি জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। নামাজ শেষে করোনামুক্তি, বিশ্বের শান্তি কামনা এবং দেশের সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করা হয়।

সরকারের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জারিকৃত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শর্তসাপেক্ষে ঈদ জামায়াত মসজিদে আদায়ের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়।

ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ঈদুল আজহা আসে মহান আল্লাহতায়ালার প্রতি আনুগত্য ও ত্যাগের মহিমা নিয়ে। সামর্থ্যবান প্রত্যেক নর-নারীর জন্য এই ঈদে পশু কোরবানি করা ওয়াজিব। ধর্মীয় বিধান অনুসারে ঈদের পরবর্তী দুই দিন অর্থাৎ ১১ ও ১২ জিলহজ তারিখেও কোরবানি করা যায়।

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তার নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রাণপ্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন। তবে আল্লাহপাকের ইচ্ছায় ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। এই স্মৃতির প্রতি সম্মান রেখে মুসলিমরা কোরবানির ঈদ পালন করে থাকে।