বেপরোয়া গতি, ফিটনেসবিহীন ও অবৈধ পার্কিংসহ যানবাহনের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে কক্সবাজারের প্রশাসন। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালানো হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জরিমানা ও হুঁশিয়ারি দিয়ে সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর থেকে কক্সবাজারের পর্যটন জোন কলাতলীতে শুরু হওয়া অভিযানে সড়কে আইন অমান্য করে চলা ডজনখানেক যানবাহনকে ধরে পরবর্তীতে একই অপরাধ না করার প্রতিশ্রুতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ফিটনেস না থাকাসহ পরিবহন আইনে গুরুতর অপরাধের দায়ে ৫টি মামলা ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে ৯ হাজার টাকা

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) কক্সবাজার সার্কেলে মোটরযান পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘নানা কারণে রেজিস্ট্রেশন করা যানবাহনও ফিটনেস নবায়ন করছে না। অনেকে লাইসেন্স না নিয়েই সড়কে চলাচল করছে। আবার অনেকে বিনা ড্রাইভিং লাইসেন্সে চালাচ্ছে গাড়ি। ফলে ঘটছে দুর্ঘটনা।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুরাদ ইসলামের নেতৃত্বে কলাতলীর প্রধান সড়কে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। আইন অমান্যের আওতায় পড়া ডজনাধিক সিএনজি আটকানো হয়।

যাদের ডকুমেন্টস রয়েছে আর কৃত অপরাধ ছোট তাদের পরবর্তীতে অপরাধ না করার মুচলেকায় ছেড়ে দেয়া হয়। ফিটনেস না থাকাসহ নানা গুরুত্বর অপরাধে ৫টি সিএনজিকে পৃথকভাবে মামলায় জরিমানা করে ৯ হাজার টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।

অভিযানে পুলিশ, আনসার সদস্য ও প্রশাসনের অন্য সদস্যের পাশাপাশি প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্বপালন করেন মোটরযান পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, সামনে আসছে পর্যটন মৌসুম। এ সময়ে পর্যটন সেবায় বৈধ যান চলাচলের নিমিত্তে জেলা প্রশাসন পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো শুরু করেছে। এটি অব্যাহত থাকবে বলে জানায় বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ।